পদার্থ বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
পদার্থ বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শক্তি
পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায় শক্তি বলতে কাজ করার
সামর্থ্যকে বুঝায়। কাজ বা কার্য হচ্ছে বল (force) ও বলাভিমুখী সরণের
(displacement) গুণফল। কৃতকাজের পরিমাণ দিয়েই শক্তি পরিমাপ করা হয়।
অর্থাৎ বস্তুর শক্তি হচ্ছে ঐ বস্তু মোট যতখানি কাজ করতে পারে। সুতরাং কাজের
একক ও শক্তির একক অভিন্ন – জুল। ১ জুল = ১ নিউটন x ১ মিটার। শক্তি একটি
স্কেলার রাশি।
শক্তির রূপ
শক্তির বিভিন্ন রূপ আছে। মোটামুটিভাবে শক্তির নয়টি রূপ দিয়ে প্রাকৃতিক সব ঘটনার ব্যাখ্যা দেয়া হয়। শক্তির রূপগুলি হলঃ- যান্ত্রিক শক্তি
- আলোক শক্তি
- শব্দ শক্তি
- তাপ শক্তি
ইলেক্ট্রন প্রোটনের গতিশীলতা – পার্টিকেল এক্সেলারেটর
পদার্থ বিজ্ঞানের গবেষণার স্তর অনেক
সূক্ষ্ম স্তরে এসে পৌঁচেছে। বিজ্ঞানীদের গবেষণার বিষয়বস্তু এখন অণু
পরমাণুতে সীমাবদ্ধ নেই। অণু পরমাণু গঠনকারী উপাদান নিয়ে এখন কাজ চলছে। এ
ধরনের উপাদানকে বলা হয় সাব এটমিক কণা। এ ধরনের সূক্ষ্মতর কণা নিয়ে
পরীক্ষা চালাতে বিশাল বিশাল যন্ত্রপাতি কাজে লাগানো হচ্ছে। উদাহরণ স্বরূপ,
বাবল চেম্বার, পার্টিকেল এক্সিলারেটর-এর নাম বলা যেতে পারে। এখানে পার্টিকল
এক্সিলারেটর সম্পর্কে ধারণা দেবার চেষ্টা করা হলো।
পার্টিকল
এক্সিলারেটর এক ধরনের ডিভাইস। দ্রুত গতিসম্পন্ন বিম, চার্জিত এটমিক বা সাব
এটমিক কণা প্রস্তুতসহ অন্যান্য গবেষণা উপলক্ষ্যে এদের ব্যবহার করা হয়।
পরমাণুর নিউক্লিয়াসের গঠন, নিউক্লিয়াসে ক্রিয়াশীল বলের ধরণ, বিশেষ কিছু
পরমাণুর (ইউরেনিয়াম পরবর্তী ভারী ধাতু) গঠন আবিষ্কারে পার্টিকল
ছয়টি বিশেষ সংখ্যা নিয়ন্ত্রন করছে আমাদের মহাবিশ্ব
আমাদের মহাবিশ্ব নিয়ন্ত্রিত হয় মাত্র
ছয়টি সংখ্যা দিয়ে যেগুলো বিন্যস্ত হয়েছে বিগ ব্যাংগের সময়কালে। সেগুলোর
যেকোন একটিও ব্যতিক্রম ঘটলে কোন গ্রহ, নক্ষত্র এবং মানব জাতির অস্তিত্ব ই
থাকতো না।
– বিশিষ্ট জ্যোতির্বিদ স্যার মারটিন রিজ।
আমাদের দৈনন্দিন পৃথিবীর সকল রসায়ন এবং
অস্তিত্ব মূলত নির্ধারণ হয় অনু(এটম)র ধর্ম, তাদের আকার এবং ভর, তাদের ধরন,
বিভাজন এবং সেই অমোঘ বলের দ্বারাই যা তাদের একত্রিত করে রাখছে । এটম বা
অনুর অস্তিত্বের মূলে আছে তার অভ্যন্তরীণ বল এবং নানাবিধ কণা।
আবার গ্রহ, নক্ষত্র গ্যালাক্সি বা ছায়াপথ
এসবের সবই নিয়ন্ত্রিত হয় মধ্যকর্ষন শক্তি বা বলের মাধ্যমেই এবং
জ্যোতির্বীদদের গবেষনার মূল বিষয়সমূহ অর্থাৎ গ্রহ, নক্ষত্র গ্যালাক্সি বা
ছায়াপথ।
তাত্ত্বিক গণ ও
বাস থেকে লাফ কি সামনে দিবেন? না পিছনে?
আমাদের বাসে চড়ার অভিজ্ঞতা বেশ জোরালো। ১, ২, ৬, ১০ নম্বর সহ যে কত রুটের বাসে যে আমরা প্রতিদিন চড়ি। তাই সকলেই জানি যে বাস থেকে নামতে হয় কিভাবে। এমনকি বাসের নিরক্ষর কন্ডাক্টর ও নামার সময় বলে সাবধান করে দেয়। যারা পদার্থবিজ্ঞান একটু আধটু পড়েছেন আমার মত তারা সকলেই জানেন যে ব্যাপারটা ঘটে কি প্রক্রিয়ায়। আমিও কলেজে ফাঁকি দিয়ে পড়েছি বেশিদিন হয়নি। ঘটনার সত্যিকারের তাৎপর্য ওইদিন ক্লাসের বেঞ্চে বসে না বুঝাতে আজ আরও একটুখানি বিস্তৃতভাবে জানার জন্য অনেক গভীরে যেতে হল।
এটি আসলে কেন ঘটে? যারা জানেন তারা উত্তরে বলবেন যে, জড়তা বা জাড্যের জন্য। যারা আরও একটু জানেন তারা বলবেন, গতি জড়তার
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)